সংক্ষিপ্তরূপে সূরা ইখলাসের হাদীস ভিত্তিক ফাযায়িল:

১ বার পাঠের ফাযায়িলঃ

◼ পাঠকারী এক তৃতীয়াংশ কুরআনে কারীম খতমের ছাওয়াব লাভ করবে। (নাসায়ী, আহ্মাদ) ◼ জান্নাতে তার জন্য ১ টি প্রাসাদ নির্মান করা হবে। (মিন ফাদ্বায়িলি সূরাতিল ইখলাস) ◼ তার জন্য মুমিন ও মুশরিকদের সংখ্যা পরিমাণ সৎকাজ লিখে দেয়া হবে। (নাসায়ী) ◼ তাকে বরকত দান করা হবে। (ইবনু ‘আসাকির) খাবার শেষে ১ বার পাঠে ◼ জান্নাতে লাল ইয়াকুত পাথরের ১টি নগরী নির্মাণ করা হবে। ◼ আর প্রতিটি লোকমার বিনিময়ে তার জন্য ১০টি সৎকাজ লিপিবদ্ধ করা হবে। (নুযহাতুল মাজালিস) ◼ সে কুরআনে উল্লিখিত ৪টি নহর থেকে পান করবে। পানির নহর, দুধের নহর, মধুর নহর, শরবতের নহর। (নুযহাতুল মাজালিস) ◼  বিছানায় শুয়ে ১ বার সূরাহ্ ফাতিহা ও ১ বার ইখলাস পাঠ করলে মৃত্যুব্যতীত সকল বিপদ থেকে নিরাপদ থাকবে। (নুযহাতুল মাজালিস) প্রত্যেক ফরজ সালাতের শেষে আয়াতুল কুরসী এবং সূরাহ্ ইখলাস পাঠ করলে ◼ জান্নাতে প্রবেশ করতে মৃত্যু ব্যতীত কোন বাধা থাকবে না। (ত্বাবরানী) মৃত্যুর রোগের মাঝে পাঠ করলে ◼ কবরের পরীক্ষা হবে না। (ত্বাবরানী) ◼ ক্ববর ‘আযাব থেকে নিরাপদ থাকবে (ঐ) ◼ ফেরেশতাগণ ক্বিয়ামতের দিন তাকে তাদের হাতের তালুতে বহন করে পুল সিরাত পার করিয়ে জান্নাতে পৌঁছে দিবেন। (ঐ) ঘরে প্রবেশের সময় পাঠ করলে ◼ তার ঘরবাসী এবং প্রতিবেশীদের থেকে দারিদ্র চলে যাবে। (ত্বাবরানী) ◼ খাবারের শুরুতে বিস্মিল্লাহ্ পাঠ করতে ভুলে গেলে খাবার শেষে সূরাহ্ ইখলাস পাঠ করা উচিত। (আবু নু‘য়াইম)

২ বার পাঠের ফাযায়িলঃ

◼ পাঠকারী এবং তার পরিবারকে বরকত দান করা হবে। (ইবনু ‘আসাকির) ◼ পাঠকারী দুই তৃতীয়াংশ কুরআনে কারীম খতমের ছাওয়াব লাভ করবে। (কানযুল উ‘ম্মাল)

৩ বার পাঠের ফাযায়িলঃ

◼ পাঠকারী পবিত্র কুরআনে কারীম খতমের ছাওয়াব লাভ করবে। (আদ-দুররুল মানছূর) ◼ তাকে, তার পরিবার ও প্রতিবেশীকে বরকত দান করা হবে। (ইবনু ‘আসাকির) ◼ ঘুমানোর পূর্বে সূরা ইখলাস+ ফালাক্ব + নাস ১ বার করে পাঠ করে শরীর মোছা। এভাবে ৩ বার করা। (বুখারী ও মুসলিম) ◼ সকাল সন্ধ্যা সূরা ইখলাস+ ফালাক্ব + নাস ৩ বার করে পাঠ করলে সকল ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবে। (নাসায়ী, তিরমিযী) ◼ ঘরে প্রবেশ করে ৩ বার পাঠ করলে দারিদ্র দূর হবে। (আদ-র্দুরুল মানছূর) ◼ সূরা ইখলাস ৩ বার পাঠের পর ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহিদাল্ লা না‘বুদু ইল্লা ইয়্যাহু মুখ্লিসীনা লাহুদ্দ্বীন দু‘য়াটি ৩ বার পাঠ করলে পাঠকারীর জন্য মুক্তা ও ইয়াকূত পাথরের ১০ কোটি কামরা নির্মান করা হবে। (মিন ফাদ্বায়িলি সূরাতিল ইখলাস) ◼ যে ব্যক্তি রমজান মাসের ২৭ তারিখ রাতে ৪ রাক‘য়াত সালাত আদায় করবে, যার প্রতি রাক‘য়াতে সূরাহ্ তাকাছুর ১ বার এবং সূরাহ্ ইখলাস ৩ বার পাঠ করবে। আল্লাহ্ তা‘য়ালা তার মৃত্যুযন্ত্রণা হালকা করে দিবেন। তার থেকে কবর ‘আযাব উঠিয়ে নিবেন। তাকে নূরের ৪টি পিলার দান করবেন। প্রত্যেক পিলারে ১ হাজার প্রাসাদ থাকবে। (নুযহাতুল মাজালিস)

◼ মহিলা যখন তার হায়েয শেষে গোসল করে দুরাক‘য়াত সালাত আদায় করবে। প্রতি রাক‘য়াতে সূরাহ্ ইখলাস ৩ বার পাঠ করবে। আল্লাহ তা‘য়ালা তার ছোট-বড় প্রতিটি গুনাহ্ ক্ষমা করে দিবেন। অন্য হায়েয আসা পর্যন্ত তার কোন গুনাহ লেখা হবে না। তাকে ৬০ জন শহীদের ছাওয়াব দান করবেন। জান্নাতে তার জন্য ১ টি নগরী তৈরী করা হবে। তার মাথার প্রতিটি চুলের বিনিময়ে একটি করে নূর দান করবেন। যদি সে পরবর্তী হায়েযের পূর্বে ইন্তেকাল করে তাহলে সে শহীদ হিসেবে ইন্তেকাল করবে। হযরত ‘আয়িশা  বলেন, কোন মহিলার হায়েয হলে তার পূর্ববর্তী গুনাহের জন্য কাফফারা হয়ে যাবে। যদি সে হায়েযের সময় বলে: “আল-হামদু লিল্লাহি ‘আলা কুল্লি হাল। ওয়া আস্তাগ্ফিরুল্লাহা মিন কুল্লি যানবিন।” তাহলে তার জন্য জাহান্নাম থেকে মুক্তি, পুলসিরাত অতিক্রম করা এবং ‘আযাব থেকে নিরাপত্তা লিখে দেয়া হবে। হায়েয অবস্থায় যদি কোন মহিলা প্রত্যেক নামাজের সময় ৭০ বার ইস্তিগফার পাঠ করে তাহলে তার জন্য ১০০০ রাক‘য়াত নামাজ লিখে দেয়া হয়। তার থেকে ৭০ টি পাপ মোচন করে দেয় হয়। তার শরীরের প্রতিটি পশমের বিনিময়ে জান্নাতে একটি করে শহর নির্মাণ করা হয়। (নুযহাতুল মাজালিস)

৬ বার পাঠের ফযীলতঃ

প্রতি রাকয়াতে ৬ বার করে ১২ বার পাঠ করে দুরাক‘য়াত সালাত আদায় করলে ◼ আদায়কারীর জন্য লাল ইয়াকুত পাথরের পিলারের উপর ৭০ হাজার কামরা বিশিষ্ট শুভ্র মুক্তার একটি প্রাসাদ নির্মান করা হবে। (মিন ফাদ্বায়িলি সূরাতিল ইখলাস)

৭ বার পাঠের ফযায়িলঃ

জুমু‘য়ার সালাত শেষে ইখলাস + ফালাক্ব + নাস ৭ বার করে পাঠ করলে ◼ পাঠকারীর জন্য পরবর্তী জুমু‘য়া পর্যন্ত শক্তি, সম্পদ ও সন্তানের জিম্মাদার হয়ে যাবে। (কানযুল ‘উম্মাল) ◼ আল্লাহ তা‘য়ালা তাকে পরবর্তী জুমু‘য়া পর্যন্ত খারাপী থেকে আশ্রয় দিবেন। (আল-ইতকান)

১০ বার পাঠের ফাযায়িল:

প্রত্যেক ফরয সালাতের পর ১০ বার পাঠ করলে ◼ পাঠকারী জান্নাতের যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে ◼ সে ইচ্ছা করলে ডাগর চোখ বিশিষ্ট হুর লাভ করতে পারবে। (তাবরানী) ◼ সে আল্লাহ তা‘য়ালার সন্তুষ্টি ও ক্ষমা লাভ করবে। (জামি‘উল আহাদীস) ◼ তাকে গুনাহমুক্ত রাখা হবে। (কানযুল ‘উম্মাল) ◼ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মান করা হবে। (তাবরানী)

ফজর সালাতের পর কথা বলার পূর্বে ১০ বার পাঠ করলে ◼ শয়তান থেকে আশ্রয় দেয়া হবে। (ইবনু ‘আসাকির) ◼ কোন পাপ তাকে পাবে না। (ঐ)

বাজারে থাকা অবস্থায় অথবা কাজের মাঝে থাকা অবস্থায় ১০ বার পাঠ করলে ◼ চৌদ্দ হাজার কামরা বিশিষ্ট মুক্তার তৈরী একটি প্রাসাদ নির্মান করা হবে। (মিন ফাদ্বায়িলি সূরাতিল ইখলাস)

নিয়মিত দিনে বা রাতে সূরা ইখলাস ও আয়াতুল কুরসী ১০ বার পাঠ করলে ◼ পাঠকারী আল্লাহর সন্তুষ্টি আবশ্যক করে নিবে। (আদ-দুররুল মানছূর) ◼ সে নবীগণের সাথী হবে। (ঐ) ◼ তাকে শয়তান থেকে রক্ষা করা হবে। (ঐ)

◼ ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহিদান আহাদান সামাদান লাম ইয়াত্তাখিয সহিবাতাওঁ ওয়ালা ওয়ালাদান ওয়ালাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ।’ (১০ বার) পাঠ করলে পাঠকারীর ‘আমলনামায় ৪০ হাজার সৎকাজ লেখা হবে। (আহমাদ)

১১ বার পাঠের ফাযায়িল:

কবর যিয়ারতের সময় ১১ বার পাঠ করে কবরবাসীদের রূহে বখশিশ করে দিলে ◼ মৃত ব্যক্তিদের সংখ্যা পরিমাণ ছাওয়াব লাভ করবে। (কুরতুবী) ◼ ফজরের পরে ১১ বার পাঠ করলে সারা দিন তার কোন গুনাহ হবে না। (নুযহাতুল মাজালিস) ◼ ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু আহাদুন সামাদুন লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ ওয়ালাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ’ (১১ বার) পাঠ করলে ২০ লক্ষ নেকী পাবে। (তাবরানী) ◼ সফর অবস্থায় ১১ বার পাঠ করলে সফরের যাবতীয় অনিষ্ট থেকে রক্ষা করবে এবং কল্যাণ দেয়া হবে।  (নুযহাতুল মাজালিস)

১২ বার পাঠের ফাযায়িল:

◼ পাঠকারীর জন্য জান্নাতে ১২ টি প্রাসাদ নির্মান করা হবে। (ইবনু ‘আসাকির)

ফজর সালাত শেষে ১২ বার পাঠ করলে ◼ ঐ দিন সে পৃথিবীর মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তিতে পরিণত হবে। (বায়হাক্বী) ◼ ৪ বার পবিত্র কুরআনে কারীম খতম করার ছাওয়াব লাভ হবে। (ঐ)

১৫ বার পাঠের ফযীলত:

‘ইশা বাদ প্রতি রাকয়াতে ১৫ বার করে পাঠ করে ২ রাকয়া‘ত সালাত আদায় করলে ◼ আদায়কারীর জন্য জান্নাতে ১ হাজার স্বর্ণের প্রাসাদ নির্মান করা হবে। (মিন ফাদ্বাইলি সূরাতিল ইখলাস)

২০ বার পাঠের ফাযায়িল:

◼ জান্নাতে দুটি প্রাসাদ নির্মান করা হবে। (তাবরানী) ◼ ক্বিয়ামাতের দিন নবীগণের সাথে উপস্থিত হবে। (ইবনু‘আসাকির)

৩০ বার পাঠের ফাযায়িল:

◼ পৃথিবীর মধ্যে সে শ্রেষ্ঠ মর্যাদার অধিকারী হবে। (আদ-দুররুল মানছূর) ◼ তার জন্য ৩ টি প্রাসাদ নির্মান করা হবে। (তাবরানী) ◼ জাহান্নাম থেকে মুক্তি, শাস্তি থেকে নিরাপত্তা এবং ক্বিয়ামাতের ভয় থেকে তাকে নিরাপদ রাখা হবে। (আদ-র্দুরুল মানছূর) ◼ নামাজের বাইরে পাঠ করলে ১০০ প্রাসাদ নির্মাণ করা হবে। (বাইহাক্বী)

৪০ বার পাঠের ফাযায়িল:

◼ প্রত্যহ ৪০ বার পাঠকারীর জন্য জাহান্নামের পুলসিরাতের উপরে একটি মিনার তৈরী করা হবে যার মাধ্যমে সে পুলসিরাত পার হয়ে যাবে। (নুযহাতুল মাজালিস)

৫০ বার পাঠের ফাযায়িল:

◼ তার ৫০ বছরের গুনাহ ক্ষমা করা হবে। (দারেমী, আবু ইয়া‘লা) ◼ ক্বিয়ামাতের দিন কবর থেকে তাকে ডেকে বলা হবে: হে প্রশংসাকারী উঠ, জান্নাতে প্রবেশ কর। (তাবরানী) ◼ আল্লাহ তা‘য়ালা তার ৫০ হাজার মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন। (বায়হাক্বী) ◼ ৫০ হাজার পাপ ক্ষমা করে দিবেন। (ঐ) ◼ ৫০ হাজার সৎকাজ লিপিবদ্ধ করবেন। (ঐ)

১০০ বার পাঠের ফাযায়িল:

গোপনে ১০০ বার পাঠ করলে ◼ ৫০ বছরের গুনাহ ক্ষমা করা হবে। (বায়হাক্বী)

ফজরের সালাতের পরে ১০০ বার পাঠ করলে ◼ তার ১০০ বছরের গুনাহ ক্ষমা করা হবে। (তাবরানী) ◼ তার গোপন গুনাহ ক্ষমা করা হবে। (দায়লামী)  ◼ তার জন্য ৫০ জন সিদ্দীকের ‘আমল উত্তোলন করা হবে। (দায়লামী)

সালাতের অযুর ন্যায় অযু করে সূরা ফাতিহাসহ ১০০ বার পাঠ করলে ◼ আল্লাহ তা‘য়ালা তার প্রত্যেক হরফের বিনিময়ে ১০ টি পূণ্য লিখবেন। ◼ তার থেকে ১০ টি গুনাহ মিটিয়ে দিবেন। ◼ তার মর্যাদা ১০ ধাপ বাড়িয়ে দিবেন। ◼ এবং তার জন্য জান্নাতে ১০০ প্রাসাদ নির্মাণ করবেন। ◼ ঐ দিন তার পক্ষ থেকে আদম সন্তানদের ‘আমলের ন্যায় ‘আমল উত্তোলন করবেন। ◼ ঐ ব্যক্তি যেন ৩৩ বার কুরআন পাঠ করল, ◼ (উহা) শিরক থেকে (তাকে) মুক্তকারী, ফিরিশতাদের উপস্থিতকারী এবং শয়তানকে বিতাড়নকারী হবে। ◼ আর ‘আরশের চারপাশে উহার একটি গুনগুন শব্দ হবে যা তার পাঠককে স্মরণ করবে; এমনকি আল্লাহ তা‘য়ালা তার (পাঠকের) দিকে তাকাবেন। অতঃপর যখন আল্লাহ তা‘য়ালা তার দিকে তাকাবেন তখন তাকে কখনো শাস্তি দিবেননা। (বায়হাক্বী)

ঘুমানের পূর্বে ডানকাতে শুয়ে ১০০ বার পাঠ করলে আল্লাহ তায়া‘লা তাকে ডান দিক দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করতে বলবেন। (তিরমিযী)

২০০ বার পাঠের ফাযায়িল:

◼ ৫০০ বছর ‘ইবাদাত করার ছাওয়াব হবে। (আদ-দুররুল মানছূর,) ◼ ৫০ বছরের গুনাহ ক্ষমা করা হবে। (তিরমিযী) ◼ ২০০ বছরের গুনাহ ক্ষমা করা হবে। (নাসায়ী) ◼ ১৫০০ সৎকাজ লেখা হবে। (ইবনু মাজাহ্) ◼ শহীদ্দের মত জান্নাতের যে কোন স্থানে ভ্রমণ ও অবতরণ করতে পারবে। (মিন ফাদ্বায়িলি সূরাতিল ইখলাস) ◼ জান্নাতুল ফিরদাউসের মাঝে তার পছন্দনীয় স্থানে জায়গা দেয়া হবে। (আদ-দুররুল মানছূর)

৪০০ বার পাঠের ফযীলত:

◼ এমন ৪০০ শহীদের ছাওয়াব হবে যাদের প্রত্যেকের ঘোড়া হত্যা করা হয়েছে এবং রক্ত প্রবাহিত করা হয়েছে। (ইবনু ‘আসাকির)

১০০০ বার পাঠের ফাযায়িল:

◼ পাঠকারী জান্নাতে স্বীয় স্থান না দেখে মৃত্যুবরণ করবে না। (ইবনু ‘আসাকির) ◼ উহা তার জন্য আল্লাহর রাস্তায় জিন পরানো, লাগাম পরিহিত ১০০০ অশ্ব দান করার চেয়ে উত্তম হবে। (আদ-দুররুল মানছূর) ◼ সে নিজেকে আল্লাহ তা‘য়ালার পক্ষ থেকে ক্রয় করে নিল। (জামি‘উল আহাদীস) ◼ ‘আরাফার দিন বিকেলে ১০০০ বার পাঠ করলে সে যা চাইবে আল্লাহ তা‘য়ালা তাকে তাই দিবেন। (জামি‘উল আহাদীস)