জান্নাত ওয়াজিব হওয়ার ‘আমল:

◼ তাকবীরে উলাসহ ৪০ দিন ৫ ওয়াক্ত সালাত জামা‘য়াতের সাথে আদায় করা। ◼ সকাল-সন্ধ্যা সাইয়্যেদুল ইস্তেগ্ফার পাঠ করা। ◼ “রদ্বীতু বিল্লাহি রাব্বাওঁ ওয়াবিল ইসলামি দীনাওঁ ওয়াবি মুহাম্মাদিন সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামা নাবিয়্যাওঁ ওয়া রসূলা” পাঠ করা। ◼ (দিনে/রাতে) ২০ জন ব্যক্তিকে সালাম প্রদান করা। ◼ একাগ্রচিত্তে দু’রাক‘য়াত সালাত আদায় করা। ◼ ফজরের পর বসে সূর্যোদয় পর্যন্ত আল্লাহর যিকির করা। ◼ সর্বদা সূরা ইখলাস পাঠ করা। ◼ ৪ রাত জাগ্রত থাকা: জিলহজ্জের ৭,৮,৯ তারিখ দিবাগত রাত ও ‘ঈদুল ফিতরের রাত। অন্য বর্ণনায়, সবে বরাতের রাত। ◼ বালেগ হওয়া পর্যন্ত একজন ইয়াতীমকে লালন পালন করা।

বিনা হিসেবে জান্নাতে প্রবেশ করার ‘আমল:

◼ ফজরের পর সূরা আন‘আমের ১ম তিন আয়াত পাঠ করা। ◼ রাতে বিছানা ছেড়ে তাহাজ্জুদ ও নফল ‘ইবাদত করা ◼ সৎকাজে অগ্রগামী হওয়া।

জান্নাতের সকল দরজা উন্মুক্ত থাকা বা যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশের ‘আমল:

◼ অজুর পরে কালিমা শাহাদাৎ পাঠ করা। ◼ আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু … ওয়া আন্না ‘ঈসা ‘আব্দুল্লাহি … (অযীফা: ১৩৬ পৃ.) পড়া ◼ আল্লাহুম্মাহ্দিনী মিন ‘ইন্দিক্ ওয়া আফিদ্ব ‘আলাইয়্যা র্মি রিয্ক্বিক্ ওয়ার্ন্শু ‘আলাইয়্যা র্মি রহ্মাতিক্। ◼ ৪০ হাদীস মুখস্থ করা।

জান্নাতে সকলের অগ্রগামী হওয়ার আ’মল:

◼ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু অহ্দাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল্ মুল্কু অলাহুল্ হাম্দু, অহুয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বদীর। (২০০ বার) ◼ বা’দ ফজর “সুবহানাল্লাহি রব্বিইয়াল ‘আযীমি ওয়া বিহামদিহ্” ১০০ বার। ◼ বা‘দ ফজর সূরা ইখলাস ১২ বার।

জান্নাতে স্বীয় স্থান না দেখে মৃত্যু হবে না:

◼ দুরূদ শরীফ দৈনিক এবং জুমু‘য়ার দিন ১০০০ বার। ◼ সূরা ইখলাস ১০০০ বার। ◼ জুমু‘য়ার দিন ৪ রাক‘য়াত সালাত প্রতি রাক‘য়াতে ইখলাস ৫০ বার পাঠ করা। ◼ ‘সুবহানাল ক্বয়িমিদ দায়িমি —— সুবহানাহু ওয়া তা‘য়ালা’ (অযীফা: ১২৬ পৃ.) পাঠ করা।

জান্নাতে এবং হাশরে নবীগণের সাথে থাকার ‘আমল:

◼ দৈনিক আয়াতুল র্কুসী ও সূরা ইখলাস ১০ বার। ◼ অযুর পর সূরা ক্বদর ৩ বার পাঠ করা।

জাহান্নাম হারাম হওয়ার ‘আমল:

◼ ইশ্রাকের সালাত। ◼ যোহরের পূর্বে ও পরে ৪ রাক‘য়াত। ◼ আস্রের পূর্বে ৪ রাক্‘য়াত সালাত আদায় করা। ◼ আল্লাহুম্মা লাকাল হামদু … ইল্লা ইন্তা (৩ বার) (অযিফা: ৯৮পৃ.) ◼ চাহিদা সত্বেও নিজে না খেয়ে কোন মুসলমান ভাইকে খানা খাওয়ানো।

জাহান্নামের আগুন স্পর্শ না করার ‘আমল:

◼ ইশ্রাকের ২ রাক‘য়াত সালাত আদায় করা। ◼ আল্লাহর ভয়ে কাঁদা। ◼ যোহরের পূর্বে ও পরে ৪ রাক‘য়াত সালাত আদায় করা। ◼ ‘আসরের পূর্বে ৪ রাক‘য়াত সালাত আদায় করা। ◼ পাঁচ কালিমা (খাজিনাতুল জান্নাহ: ৭১) পাঠ করা।

জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভের ‘আমল:

◼  ৪০ দিন তাকবীরে উলার সাথে সালাত আদায় করা। ◼ পূর্ণ এক বছর চাশ্তের সালাত আদায় করা। ◼ ‘ইশার সালাতের ১ম রাকয়া’ত না ছুটে এমনভাবে জামে‘ মাসজিদে ৪০ দিন যাবত সালাত আদায় করা। ◼ নির্জনে দু’রাক‘য়াত সালাত আদায় করা। ◼ দৈনিক ১০০ বার সূরা ইখলাস পাঠ করা।

ক্ববর ‘আযাব থেকে মুক্তি লাভ করার ‘আমল:

◼ রাতে সূরা মুলক পাঠ করা। ◼ রাতে সূরা আলিফ লাম মীম তানযীল পাঠ করা।

✷ ‘আরশের ছায়ার নিচে স্থান পাওয়ার ‘আমল:

◼ আল্লাহুম্মা আনঝিল্হুল মাক্ব‘য়াদাল মুর্ক্বারাবা ‘ইন্দাকা ইয়াওমাল ক্বিয়ামাহ্। ◼ ফজরের পরে সূরা আন্‘আমের প্রথম ৩ আয়াত পাঠ করা। ◼ সূরা ইখলাস ১৫ বার পাঠ করে মাগরিবের পরে ২ রাক‘য়াত সালাত আদায় করা।

রসূলুল্লাহ হাতে ধরে জান্নাতে প্রবেশ করানোর ‘আমল:

◼ ‘সকাল-সন্ধ্যা ৩ বার ‘রদ্বীতু বিল্লাহি রাব্বাওঁ ওয়াবিল ইসলামি দীনাওঁ ওয়াবি মুহাম্মাদিন সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামা নবীয়্যাওঁ ওয়া রসূলা’ পাঠ করা। ◼ ‘সলাওয়াতুল্লাহি ওয়া মালায়িকাতিহী … বারাকাতুহু’ (অযীফা: ১৮৯ পৃ.) দৈনিক ৩ বার এবং জুমু‘আর দিন ১০০ বার পাঠ করা। ◼ সল্লাল্লাহু ‘আলা মুহাম্মাদ ওয়া আসআলুকা … ইয়া রব্বাল ‘আলামীন (অযিফা: ১৯৭ পৃ.) পাঠ করা ◼ সুবহানাল্লাহিল মালিকিল জাব্বার ….. মিহাল (অযিফা: ১৪৭ পৃ.) পাঠ করা।

আগে পরের গুনাহ মাফ হওয়ার ‘আমল:

◼ আজানের সময় শাহাদাত শুনার পর “রদ্বীতু বিল্লাহি রাব্বাওঁ ওয়াবিল্ ইসলামি দীনাওঁ ওয়াবি মুহাম্মাদিন সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামা নাবিয়্যাওঁ ওয়া রসূলা” বলা। ◼ খাওয়ার পর: “আলহামদুলিল্লাহিল্লাযি আত্ব‘আমানি … ওয়ালা কুওয়্যাহ্” (খাজিনা: পৃ: ১৩৩) পাঠ করা। ◼ সুবহানা যিল মুল্কি … ওয়াররূহ”। (খাজিনা: পৃ: ১৩৩) ◼ মুসাফাহা কালীন অবস্থায় দুরূদ শরীফ পড়া। ◼ উত্তমরূপে অযু করা ও দু’রাক‘য়াত সালাত আদায় করা। ◼ জুমু‘য়ার রাতে সুরা দুখান তিলাওয়াত করা। ◼ সূরা ইয়াসীন তিলাওয়াত করা। ◼ “সুবহান্নাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি” ১০০ বার পাঠ করা। ◼ সালাত শেষে ৩৩,৩৩,৩৩, ১বার “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু … ক্বদীর” পাঠ করা। ◼ ঘুমানোর সময় “আলহামদু লিল্লাহিল্লাযী ‘আলা ফাক্বাহারা … (খাজিনা, হাদীস নং: ২২৭) পাঠ করা ◼ ঘুম থেকে জেগে কালেমা তাওহীদ পাঠ করা। ◼ ঘুম থেকে জেগে : “লা ইলাহা ইল্লা আন্তা রব্বি জলাম্তু নাফসী ফাগফিরলী”। ◼ অযুতে পা ধোয়া শেষে “আশহাদু আল্লাইলাহা ইল্লাল্লাহ” ৩ বার পড়া। ◼ মাজলিস থেকে উঠার সময় সালাম দেয়া। ◼ ইফতারের সময় দোয়া: ইয়া ‘আযীমু ইয়া ‘আযীমু…. (খাজিনা, হাদীস নং ২৫৭)

শাহাদাতের মর্যাদা লাভের ‘আমল:

◼ ‘আল্লাহুম্মা বারিক লী ফিল্ মাওতি ওয়া ফীমা বা‘দাল মাওতি’ দৈনিক ২৫ বার পড়া ◼ চাশতের সালাত ◼ মাসে ৩দিন রোযা রাখা।

ফজরের পর বসে জিকির করা ও দুরাক‘য়াত ইশ্রাকের সালাত আদায়ের ফযীলত:

◼ জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে (আবু ইয়া‘লা) ◼ ৪ জন গোলাম আজাদের ছাওয়াব পাবে (ত্বাহাবী) ◼ জাহান্নাম থেকে পর্দা হবে (বায্যার) ◼ আল্লাহর রাস্তায় ১ সকাল যুদ্ধ করার ফযীলত (দারু কুতনী) ◼ ১টি পূর্ণ হজ্জ ও ১টি ওম্রার ছাওয়াব পাবে (তিরমিযী) ◼ জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না (বায়হাক্বী) ◼ সদ্যপ্রসুত শিশুর ন্যায় নিস্পাপ হয়ে যাবে (ইবনুস্ সুন্নী) ◼ তার শরীর জাহান্নামের জন্য হারাম হবে (আহমাদ) ◼ ফিরিশতাগণ তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবে (বায়হাক্বী) ◼ পৃথিবীর সকল কিছুর চেয়ে প্রিয় হবে (তাবরানী) ◼ তার জন্য জান্নাতুল ফিরদাউসে ৭০টি মর্যাদার স্তর হবে। প্রতি দু’স্তরের মধ্যে দূরত্ব হচ্ছে দৌড়ের জন্য প্রস্তুতকৃত উত্তম ঘোড়ার ৭০ বছর দৌড়ানোর দূরত্ব (বায়হাক্বী) ◼ ২০০ নেকী, ২০০ গুনাহ্ ক্ষমা, ২০০ মর্যাদা বৃদ্ধি করা হবে (আবূ ইয়া‘লা) ◼ ১০০০ দীনার সদকা করার ছাওয়াব হবে। ◼ আল্লাহ্ তা‘য়ালা প্রতি রাক‘য়াতের বিনিময়ে জান্নাতে ১০ লক্ষ প্রাসাদ নির্মাণ করবেন। প্রতিটি প্রাসাদে ১০ লক্ষ হুর থাকবে। প্রত্যেক হুরের সাথে ১০ লক্ষ খাদেম থাকবে। ঐ ব্যক্তি আল্লাহর কাছে তাওবাকারীগণের অন্তর্ভূক্ত হবে। (আত্তারগীব লিব্নি শাহীন, নং ১১৩)

চাশ্তের ৪ রাক‘য়াত সালাত আদায়ের ফযীলত:

◼  বাবুদ্ দুহা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে (তাবরানী) ◼ ঐ দিন আল্লাহ তা‘য়ালা তার জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবেন (আহ্মাদ) ◼ তাকে ‘আবিদগণের মধ্যে গণ্য করা হবে (তাবরানী) ◼ জাহান্নাম থেকে মুক্তি লিখে দেয়া হবে (কানযুল ‘উম্মাল) ◼ সদ্যপ্রসুত শিশুর ন্যায় নিস্পাপ হয়ে যাবে (আবু ইয়া‘লা) ◼ ১২ রাক‘য়াত আদায়কারীর জন্য জান্নাতে একটি স্বর্ণের প্রাসাদ তৈরী করা হবে (তিরমিযী)

যোহরের পূর্বে ৪ রাক‘য়াত সালাতের ফযীলত:

◼ সে যেন ৪ রাক‘য়াত তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করল। (তাবরানী) ◼ আল্লাহ্ তার শরীরকে জাহান্নামের জন্য হারাম করে দিবেন। (তাবরানী) ◼ বনী ইসমা‘ঈলের একটি গোলাম আযাদ করার ছাওয়াব হবে। (তাবরানী) ◼ ঐ দিনের গুনাহগুলো ক্ষমা করে দেয়া হবে। (খতীব)

যোহ্রের পূর্বে ৪ রাক‘য়াত ও পরে ৪ রাক‘য়াত সালাতের ফযীলত:

◼ আল্লাহ তা‘য়ালা তার শরীরকে জাহান্নামের জন্য হারাম করে দিবেন। (তিরমিযী)

✷ ‘আসরের পূর্বে ৪ রাক‘য়াত সালাতের ফযীলত:

◼ আল্লাহ্ তাকে দৃঢ় ক্ষমা দান করবেন (তাবরানী) ◼ তাকে জাহান্নাম স্পর্শ করবে না (তাবরানী) ◼ আল্লাহ তা‘য়ালা তার শরীরকে জাহান্নামের জন্য হারাম করে দিবেন (তাবরানী) ◼ আল্লাহ তা‘য়ালা তাকে রহম করবেন (ইবনু জারীর) ◼ জান্নাতে একটি প্রাসাদ নির্মাণ করা হবে।

মাগরিবের পরে (কারো সাথে কথা বলার পূর্বে) ২ রাক‘য়াত সালাতের ফযীলত:

◼ আল্লাহ্ তা‘য়ালা তাকে হাযীরাতুল কুদ্সে জায়গা দিবেন (কানযুল ‘উম্মাল) ◼ আল্লাহ তা‘য়ালা তার জন্য জান্নাতে একটি গৃহ নির্মাণ করবেন, যেখানে সে সকাল-সন্ধ্যা আসা যাওয়া করবে। (তাবরানী) ◼ ১ম রাক‘য়াতে সূরা কাফিরূন এবং ২য় রাক‘য়াতে সূরা ইখলাস পাঠ করলে সে ঐভাবে গুনাহ থেকে বেরিয়ে যাবে যেভাবে সাপ তার খোলস থেকে বেরিয়ে যায়। (খতীব) ◼ প্রতি রাক‘য়াতে ১৫ বার সুরা ইখলাস পাঠ করলে সে ক্বিয়ামতের দিন আসতে থাকবে এবং তাকে বাঁধা দেয়া হবে না; এমনকি সে পরম করুণাময়ের ‘আরশের ছায়া পর্যন্ত পৌঁছে যাবে। (তামহীদুল ফুরুশ ফিল খিসালিল মুজিবাতি লিযিল্লিল ‘আরশ্ লিসসুয়াত্বী)

মাগরিবের পরে (কারো সাথে কথা বলার পূর্বে) ৪ রাক‘য়াত  সালাতের ফযীলত:

◼ সে ঐ ব্যক্তির ন্যায় হবে যে একটি হজ্জ আদায় করেছে। (কানযুল ‘উম্মাল) ◼ তার জন্য উহাকে ‘ইল্লিয়্যীনে উঠানো হবে এবং সে ঐ ব্যক্তির ন্যায় হবে যে বাইতুল্ মুকাদ্দাসে কদরের রাত পেয়েছে। আর উহা তার জন্য অর্ধরাত সালাত আদায় করার চেয়েও উত্তম হবে। (দায়লামী) ◼ সে যেন আল্লাহর রাস্তায় এক যুদ্ধের পরে আরেক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করল। (আবুশ শায়খ)

মাগরিবের পরে (কারো সাথে কথা বলার পূর্বে) ৬ রাক‘য়াত সালাতের ফযীলত:

◼ ১২ বছর নফল ‘ইবাদতের সমান হবে। (তিরমিযী) ◼ ৫০ বছরের গুনাহ ক্ষমা করা হবে। (ইবনু ‘আসাকির) ◼ গুনাহসমূহ ক্ষমা করা হবে, যদিও তা সমূদ্রের ফেনা পরিমাণ হয়। (ইবনু ‘আসাকির) ◼ ১০ রাক‘য়াত আদায় করলে জান্নাতে তার জন্য একটি প্রাসাদ নির্মাণ করা হবে। (কানযুল ‘উম্মাল) ◼ ২০ রাক‘য়াত আদায় করলে (ইখলাস ১বার) আল্লাহ তাকে, তার পরিবার, সম্পদ, দুনিয়া, আখেরাত হেফাযত করবেন। (কানযুল ‘উম্মাল)

মাগরিবের পরে ১২ রাক‘য়াত সালাতের  ফযীলত:

◼ (প্রতি রাক‘য়াতে ৪০ বার সূরা ইখলাস দ্বারা) কিয়ামতের দিন তার সাথে ফিরিশতাগণ মুসাফাহা করবেন। আর যার সাথে কিয়ামতের দিন ফিরিশতাগণ মুসাফাহা করবেন সে পুলসিরাত, হিসাব এবং মীযানে নিরাপত্তা লাভ করবে। (জামি‘উল আহাদীস)

মাগরিব থেকে ‘ইশা পর্যন্ত ‘ইবাদত করার ফযীলত:

◼ তার জন্য জান্নাতে এমন দু’টি প্রাসাদ নির্মাণ করা হবে, যে দু’টির মাঝখানে ১০০ বছরের দূরত্ব হবে। আর এ দু’টোর মধ্যে এমন গাছ থাকবে যা যদি প্রাচ্যবাসী ও পাশ্চাত্যবাসী দেখত তাহলে ঐ গাছ তাদেরকে ফল পৌঁছে দিত। উহা হচ্ছে তাওবাকারীদের সালাত। আর উহা হচ্ছে অমনোযোগীদের গাফলতির সময়। আর মাকবূল দু‘য়া যা ফেরত দেয়া হয় না তা মাগরিব ও ‘ইশার মধ্যবর্তী সময়ে। (কানযুল ‘উম্মাল) ◼ মাগরিব ও ‘ইশার মধ্যবর্তী সময়ে যারা সালাত আদায় করে ফিরিশতাগণ তাদেরকে বেষ্টন করে রাখেন। আর উহা হচ্ছে সালাতুল আউয়াবীন বা তাওবাকারীগণের সালাত। (কানযুল ‘উম্মাল)

✷ ‘ইশার পরে ২ রাক‘য়াত সালাতের  ফযীলত:

◼ (ইখলাস ১৫ বার করে) আল্লাহ তা‘য়ালা তার জন্য জান্নাতে দু’টি প্রাসাদ নির্মাণ করবেন। জান্নাতবাসীরা প্রাসাদদু’টির সমনাসামনি হয়ে দেখবে। (আদ-দুররুল মানছূর) ◼ (ইখলাস ২০ বার করে) আল্লাহ তা‘য়ালা তার জন্য জান্নাতে দু’টি প্রাসাদ নির্মাণ করবেন। জান্নাতবাসীরা প্রাসাদদু’টির সমনাসামনি হয়ে দেখবে। (আদ-দুররুল মানছূর)

✷ ‘ইশার পরে ৪ রাক‘য়াত সালাতের  ফযীলত:

◼ কদরের রাতের ৪ রাক‘য়াত আদায় করার ন্যায় হবে। (তাবরানী) ◼ ফজর পর্যন্ত সালাত আদায় করার ছাওয়াব হবে। (দায়লামী) ◼ মাসজিদে আক্বসায় ৪ রাক‘য়াত সালাত আদায় করার ন্যায় হবে।